,



আইন মেনে শিল্প কারখানার বর্জ্য নিস্কাশন চায় নদী পরিব্রাজক দল শ্রীপুর শাখা

নিজস্ব প্রতিবেদক: নদীর ভালোবাসা আমাদের জন্য কতটুকু প্রয়োজনীয় তা আমরা দূর থেকে না বুঝলেও নদীর বুকে গেলে খুব করে স্পষ্ট হয়ে ওঠে । নদীকে তার নাব্যতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য, দূষণ মুক্ত করার জন্য, দখল থেকে বাঁচানোর জন্য এবং নদীকে পর্যটনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল কাজ করে যাচ্ছে । পরিবেশ বিষয়ক সংগঠনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল ইতিমধ্যেই সারা দেশে যথেষ্ঠ সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কাজকে আরও গতিশীল করার জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছে ।

নদী পরিব্রাজক দল শ্রীপুর শাখার উদ্দেশ্য শ্রীপুরের নদীগুলোর সম্পূর্ণ পর্যটনমুখী করে বহমানতা ফিরিয়ে আনা ও নদী অব্যবস্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে প্রশাসনের সাথে কাজ করা । এ লক্ষেই শ্রীপুরের গোসিঙ্গা থেকে নদী পরিব্রাজক দলের শ্রীপুর শাখার একটি প্রতিনিধি দল গতকাল শীতলক্ষ্যা নদীতে তিন নদীর মোহানায় অবস্থিত ধাঁধার চর পরিদর্শন করে ।

এ সময় নদী পরিব্রাজক দলের শ্রীপুর শাখার সাথে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নদী পরিব্রাজক দলের গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মোতাহার হোসেন খান, নদী পরিব্রাজক দলের শ্রীপুর শাখার উপদেষ্টা মন্ডলীয় সদস্য এস এম সোহেল রানা ও আজাদ আবুল কালাম । নদী পরিব্রাজক দলের সাথে অন্যান্য সংগঠন ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিংগারদীঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক প্রথম আলোর শ্রীপুর প্রতিনিধি সাদিক মৃধা ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের শ্রীপুর প্রতিনিধিগণ এবং স্টুডেন্ট লিংকের প্রতিষ্ঠাতা সাব্বির হোসেন খোকন সহ ছাত্র-ছাত্রী ও নদী পরিব্রাজক দলের সদস্যগণ ।  নদী পরিব্রাজক দল ধাঁধার চর ও কাপাসিয়ার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন ও বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে গিয়ে নদী পরিব্রাজক দলের সদস্যরা নদী সচেতনতায় একে একে বক্তব্য প্রদান করেন । নদী পরিব্রাজক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির গবেষনা সম্পাদক মোতাহর হোসেন বলেন “ ভালোবাসার দিনে নদীকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করুন তবেই নদী ভালো থাকবে ।” নদী পরিব্রাজক দল শ্রীপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন “ নদী বাঁচলেই আমরা বাঁচবো সুতরাং নদীকে বাঁচাতে আমাদের কাজ করে যেতে হবে । আইন মেনে শিল্প কারখানা পরিচালনার জন্য প্রশাসনের কাছে সহায়তা চান নদী পরিব্রাজক দলের শ্রীপুর শাখার সভাপতি সাঈদ চৌধুরী । তিনি আরও বলেন যদি পানি নিস্কাশনে সঠিক বিশোধন প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী করা হয় তবে নদী দূষণ কমে যেতে পারে ৪০-৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ