,



খালেদা জিয়ার ভুয়া জন্মদিন পালন মামলার শুনানি ৯ অক্টোবর

ভুয়া জন্মদিন পালন করার অভিযোগে মানহানির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে আগামী ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর এই তারিখ ধার্য করেন।

এদিন অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। এই মামলায় খালেদা জিয়া জামিনে আছেন। কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে এই মামলার শুনানি চলছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালে দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর ম্যাট্রিক পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী তার জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট। তার বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন ১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট।

সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অনুযায়ী তার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট। বিভিন্ন মাধ্যমে তার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট জন্মদিন পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকীর দিন জাতীয় শোক দিবসে আনন্দ-উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ণের জন্য তিনি জন্মদিন পালন করেন।

এই অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মানহানির অভিযোগে মামলাটি করেন।

উল্লেখ্য, গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার পর খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। ওই মামলার আপিলে খালেদা জিয়ার দণ্ড বাড়িয়ে দশ বছর করেছেন হাইকোর্ট। এরপর জিয়া চ্যারিট্যাবল ট্রাস্ট মামলায়ও খালেদা জিয়ার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ