,



বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে উত্তাল

সাবেক উপাচার্য অপসারণের আন্দোলন সফলভাবে শেষ হলেও গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) নানা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। আজ সকালে নিজ বিভাগের সামনে চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করেছে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে ১১তম দিনের মতো অস্থায়ী কর্মচারীরা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। অন্যদিকে বিভাগ একীভূতকরণের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অবৈধভাবে শোকজ নোটিশ প্রদান করা, বাক-স্বাধীনতা হরণ করা এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে পরীক্ষায় খারাপ ফলাফল করানোসহ আটটি অভিযোগের ভিত্তিতে বিজিই বিভাগের সভাপতি আবদুলাহ আল জোবায়ের’র পদত্যাগ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। তবে বিজিই বিভাগের সভাপতি আবদুলাহ আল জোবায়ের সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান ‘আমি নিয়মবহির্ভূতভাবে কিছু করিনি। হয়তো কোনো একটি মহল ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলেছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিয়োগ পাওয়া দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরাও আন্দোলন করছেন। তারা জানান, প্রায় পাচ মাস ধরে তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। এই কারণে অর্থের অভাবে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর আগে সাবেক উপাচার্য তাদের একাধিকবার চাকরি স্থায়ীকরণের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করেননি।

অপরদিকে, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের সঙ্গে একীভূতকরণের দাবিতে ৬৩তম দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, তাদের দাবিতে প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান জানান, বিজিই বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর দৈনিক মজুরিভিত্তিকে কর্মচারীদের সমস্যাটি এবং বিভাগ একীভূতকরণের বিষয়টি সমধানের জন্য নতুন উপাচার্য নিয়োগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ